লেখাপড়া

চাকরী পরীক্ষা বা বিসিএস এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ

বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ:একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে।
এসএসসি, এইচ.এস.সি, দাখিল, আলিম, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং, চাকরী পরীক্ষা বা বিসিএস এ বাক্য সংকোচনে এমন সব দুর্লভ বাক্য সংকোচন করা হয় যা খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

আপনাদের জন্য সকল বই, অনলাইন এবং বিভিন্ন শিক্ষকদের মাধ্যমে খুজে বের করেছে সকল বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ। বিগত সকল পরীক্ষায় এই বাক্য সংকোচনগুলো কমন পড়েছে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন/এক কথায় প্রকাশ:
১.কুকুরের ডাক=বুক্কন
২.রাজহাঁসের ডাক=ক্রেঙ্কার
৩.বিহঙ্গের ডাক/ধ্বনি=কূজন/কাকলি
৪.করার ইচ্ছা=চিকীর্ষা
৫.ক্ষমা করার ইচ্ছা=চিক্ষমিষা/তিতিক্ষা
৬.ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা=তিতীর্ষা
৭.গমন করার ইচ্ছা=জিগমিষা
৮.নিন্দা করার ইচ্ছা=জুগুপ্সা
৯.বেঁচে থাকার ইচ্ছা=জিজীবিষা
১০.পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা
১১.চোখে দেখা যায় এমন=চক্ষুগোচর
১২.চোখের নিমেষ না ফেলিয়া=অনিমেষ
১৩.গম্ভীর ধ্বনি=মন্দ্র
১৪.মুক্তি পেতে ইচ্ছা=মুমুক্ষা
১৫.বিজয় লাভের ইচ্ছা=বিজিগীষা
১৬.প্রবেশ করার ইচ্ছা=বিবক্ষা
১৭.বাস করার ইচ্ছা=বিবৎসা
১৮.বমন করিবার ইচ্ছা=বিবমিষা
১৯.রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা=রিরংসা
২০.আমার তুল্য=সাদৃশ
২১.ইহার তুল্য=ইদৃশ
২২.ঋষির তুল্য=ঋষিকল্প
২৩.দেবতার তুল্য=দেবোপম
২৪.রন্ধনের যোগ্য=পাচ্য
২৫.জানিবার যোগ্য=জ্ঞাতব্য
২৬.প্রশংসার যোগ্য=প্রশংসার্হ
২৭.ঘ্রাণের যোগ্য=ঘ্রেয়
২৮.যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না=দুলঙ্ঘ্য
২৯.যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না=দুস্তর
৩০.যা বলা হয়েছে=বক্ষ্যমাণ
৩১.যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি=অচিন্তিতপূর্ব
৩২.যা পূর্বে কখনও আস্বাদিত হয় নাই=অনাস্বাদিতপূর্ব
৩৩.যা পূর্বে শোনা যায় নি=অশ্রুতপূর্ব
৩৪.হিরণ্য (স্বর্ণ) দ্বারা নির্মিত =হিরন্ময়
৩৫.বাতাসে চরে যে=কপোত
৩৬.পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার=জাতিস্বর
৩৭.সরোবরে জন্মায় যাহা=সরোজ
৩৮.সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে=সততসঞ্চরমান
৩৯.যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে =জাজ্বল্যমান
৪০.সকলের জন্য প্রযোজ্য=সর্বজনীন
৪১.সকলের জন্য অনুষ্ঠিত =সার্বজনীন
৪২.প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন=প্রভাতকল্পা
৪৩.রাত্রির মধ্যভাগ=মহানিশা
৪৪.স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=শাস্ত্রজ্ঞ
৪৫.স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি=শাস্ত্রকার
৪৬.যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন=স্মার্ত
৪৭.শক্তির উপাসনা করে যে = শাক্ত
৪৮.এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার=অজাতশত্রু
৪৯.এখনও গোঁফ-দাড়ি গজায় নাই যাহার=অজাতশ্মশ্রু
৫০.যে ব্যক্তি এক ঘর হতে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায়=মাধুকর
৫১.অন্যদিকে মন নাই যার=অনন্যমনা
৫২.খেয়া পার করে যে =পাটনী
৫৩.নিজেকে বড় ভাবে যে=হামবড়া
৫৪.নিজেকে যে নিজেই সৃষ্টি করেছে=সয়ম্ভূ
৫৫.নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল)=নিদাঘ
৫৬.যা গতিশীল = জঙ্গম
৫৭.যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই=অবিসংবাদী
৫৮.স্ত্রীর বশীভূত =স্ত্রৈণ
৫৯.অত্যন্ত তরল জল নিঃসরণ =অতিসার/অতীসার
৬০.অঙ্গীকৃত মাল তৈরির জন্য প্রদত্ত অগ্রিম অর্থ=দাদন
৬১.অতি উচ্চ ধ্বনি =মহানাদ
৬২.অতিশয় রমণীয়=সুরম্য
৬৩.অণুর ভাব=অণিমা
৬৪.অগ্র-পশ্চাৎ ক্রম অনুযায়ী =আনুপূর্বিক
৬৫.অবজ্ঞায় নাক উঁচু করে যে=উন্নাসিক
৬৬.অসির শব্দ=ঝঞ্জনা
৬৭.অন্ধকার রাত্রি =তামসী
৬৮.অশ্বের চালক=সাদী
৬৯.ঈষৎ নীলাভবিশিষ্ট=আনীল
৭০.ঈষৎ উষ্ণ =কবোষ্ণ
৭১.ঈষৎ পাংশু বর্ণ=কয়রা
৭২.আকস্মিক দুর্দৈব =উপদ্রব
৭৩.আঙুর ফল=দ্রাক্ষা
৭৪.আজীবন সধবা যে নারী=চিরায়ুষ্মতী
৭৫.উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ধন=রিকথ
৭৬.উটের/হস্তীর শাবক=করভ
৭৭.ঋষির দ্বারা উক্ত(কথিত) =আর্য
৭৮.ঋজুর ভাব=আর্জব
৭৯.ঋতুর সম্বন্ধে=আর্তব
৮০.ঔষধের আনুষঙ্গিক সেব্য=অনুপান
৮১.কংসের শত্রু যিনি=কংসারি
৮২.কালো হলুদের মিশানো রঙ=কপিশ,কপিল
৮৩.ক্ষুধার অল্পতা=অগ্নিমান্দ্য
৮৪.কটিদেশ থেকে পদতল পর্যন্ত অংশ=অধঃকায়
৮৫.কৃষ্ণবর্ণ হরিণ=কালসার
৮৬.ক্রীড়নশীল তরঙ্গ =চলোর্মি
৮৭.কাচের তৈরি ঘর=শিশমহল
৮৮.কোন বিষয়ে যে শ্রদ্ধা হারিয়েছে= বীতশ্রদ্ধ
৮৯.কনুই থেকে বদ্ধ মুষ্টি পর্যন্ত পরিমাণ=রত্নি
৯০.কপালে আঁকা তিলক=রসকলি
৯১.কচি তৃণাবৃত ভূমি=শাদ্বল
৯২.ক্ষিতি, জল,তেজ বায়ু থেকে সঞ্জাত =চতুভৌতিক
৯৩.গৃহের প্রধান প্রবেশ পথ=দেহলি,দেউড়ি
৯৪.গরম জল=উষ্ণোদক
৯৫.গর্দভের বাসস্থান =খরশাল
৯৬.গুরুগৃহে বাস=অন্তেবাসী
৯৭.গ্রন্থাদির অধ্যায় =স্কন্দ
৯৮.গুরুর পত্নী =গুর্বী
৯৯.গাধার ডাক=রাসভ
১০০.ঘর্ষণ বা পেষণজাত গন্ধ=পরিমল
১০১.ঘোর অন্ধকার রাত্রি =তামসী,তমিস্রা
১০২.চোখের কোণ=অপাঙ্গ
১০৩.ছুতারের বৃত্তি=তক্ষণ
১০৪.চিত্তের তৃপ্তিদায়ক=দিলখোশ
১০৫ জানায় যে=জ্ঞাপক
১০৬.ছিন্ন বস্ত্র=চীর
১০৭.জজের বৃত্তি=জজিয়াতী
১০৮.জলবহুল স্থান =অনুপ,জলা
১০৯.জানা উচিত =জ্ঞেয়
১১০.ত্বরার সঙ্গে বর্তমান=সত্বর
১১১.ত্বরায় গমন করে যে=তুরগ
১১২.তৃণাদির গুচ্ছ=স্তন্ব
১১৩.তরল অথচ গাঢ়=সান্দ্র
১১৪.তোপের ধ্বনি=গুড়ুম
১১৫.তস্করের কাজ=তাস্কর্য
১১৬.তোমার মত=ত্বাদৃশ
১১৭.তার মত=তাদৃশ
১১৮.তনুর ভাব=তনিমা
১১৯.থেমে থেমে চলার যে ভঙ্গি=ঠমক
১২০.দাম উদরে যাহার=দামোদর
১২১.দেবতা থেকে উৎপন্ন বা দৈবজাত=আধিদৈবিক
১২২.দুরথীর যুদ্ধ =দ্বৈরথ
১২৩.দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থান =দোয়াব
১২৪.দৈনন্দিন জীবনের লিখিত বিবরণ =রোজনামচা
১২৫.দুগ্ধবতী গাভী=পয়স্বিনী
১২৬.ধান্যাদি পরিমাপকারী =কয়ালি
১২৭.নিবেদন করা হয় যা=নৈবদ্য
১২৮.নির্ভুল মুনিবাক্য=আপ্তবাক্য
১২৯.নিকৃষ্ট ব্যক্তি =অজন
১৩০.নিচে জল আছে যার=অন্তঃসলিলা
১৩১.প্রস্থান করতে উদ্যত =চলিষ্ণু
১৩২.প্রদীপ শীর্ষের কালি=অঞ্জন
১৩৩.পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা
১৩৪.পেটের পীড়া ও তৎসহ জ্বর =জ্বরাতিসার
১৩৫.প্রতিবিধান করার ইচ্ছা=প্রতিবিধিৎসা
১৩৬.পাখির ডানা ঝাপটা =পাখসাট
১৩৭.পায়ে হেঁটে যে গমন করে না=পন্নগ
১৩৮.পায়ে হাঁটা =পদব্রজ
১৩৯.ফিকা কমলা রঙ=বাসন্তী
১৪০.পুরুষের কর্ণভূষণ =বীরবৌলি
১৪১.পূর্ণিমার চাঁদ =রাকা
১৪২.প্রভাতের নবোদিত সূর্য=বালার্ক,বালসূর্য
১৪৩.বসন আলগা যার=অসংবৃত
১৪৪.বীজ বপনের উপযুক্ত সময়=জো
১৪৫.বেলা ভূমিকে অতিক্রম =উদ্বেল
১৪৬.বিশেষ ভাবে দর্শন =বীক্ষণ
১৪৭.ভোরে গাওয়ার উপযুক্ত গান=ভোরাই
১৪৮.মরনের জন্য অনশন =প্রায়োপবেশন
১৪৯.মেঘের ধ্বনি=জীমূতমন্ত্র
১৫০.মন্থন করা হয়েছে=মথিত
১৫১.মাথায় টাক=খলতি
১৫২.যার কিছু নেই=আকিঞ্চন
১৫৩.যাহার বসন (পোশাক) মাটির রঙের=গৈরিকবসনা
১৫৪.যার পঞ্জরাস্থি ক্ষীণ =উনপাঁজুরে
১৫৫.যার দিক থেকে চক্ষু ফেরানো যায় না=অসেচনক
১৫৬.বলা হতে যাচ্ছে বা হবে=বক্ষ্যমাণ
১৫৭.যার কীর্তি শ্রবণে পূণ্য জন্মে=পূণ্যশ্লোক
১৫৮.যাহা উচ্চারণ করিতে কষ্ট হয়=দুরুচ্চার্য
১৫৯.যে স্ত্রীর বশীভূত =স্ত্রৈণ
১৬০.যা শুনলে দুঃখ দূর হয়=দুঃশ্রব
১৬১.যা গমন করে না=নগ
১৬২.যার স্পৃহা দূর হয়েছে=বীতস্পৃহ
১৬৩.লয় প্রাপ্ত হয়েছে=লীন
১৬৪.শত্রুকে পীড়া দেয় যে=পরন্তপ
১৬৫.শক্তির উপাসনা করে যে=শাক্ত
১৬৬.শাল গাছের ন্যায় দীর্ঘাকার=শালপ্রাংশু
১৬৭.ষাঁড়ের চেহারা তুল্য =ষণ্ডামার্কা
১৬৮.সুদে টাকা খাটানো=তেজারতি
১৬৯.স্বর্গের গঙ্গা=মন্দাকিনী
১৭০.হাতি বাঁধার রজ্জু=আন্দু
১৭১.হস্তী রাখার স্থান =বারী,পিলখানা
১৭২.হস্তী তাড়নের নিমিত্ত ব্যবহৃত লৌহদণ্ড =অঙ্কুশ
১৭৩.হস্তীর চারণভূমি=প্রচার
১৭৪.হত্যা করে যে=হন্তারক
১৭৫.অব্যক্ত মধুর ধ্বনি=কলতান
১৭৬.যার বাসস্থান নেই=অনিকেতন
১৭৭.আয়ুর পক্ষে হিতকর=আয়ুষ্য
১৭৮.ইতয়ার পুত্র=ঐতরেয়
১৭৯.কর্মে অতিশয় তৎপর =করিৎকর্মা
১৮০.কুরুর পুত্র=কৌরব
১৮১.কুন্তীর পুত্র=কৌন্তের
১৮২.চৌত্রিশ অক্ষরে স্তব=চৌতিশা
১৮৩.জয়লাভ করতে অভ্যস্ত যে=জিষ্ণু
১৮৪.জয় করার যোগ্য=জেতব্য
১৮৫.তমঃদূর করে যে=তমোনাশ
১৮৬.দান করে যে কেড়ে নেয়=দত্তাপহারী
১৮৭.দান করার ইচ্ছা=দিৎসা
১৮৮.ন্যায় শাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=নৈয়ায়িক
১৮৯.পিতার ভগিনী=পিতৃষসা
১৯০.পুণ্ডরীক্ষের ন্যায় অক্ষি যার=পুণ্ডরীকাক্ষ
১৯১.বাক্য ও মনের অগোচর=অবাঙ্মনসগোচর
১৯২.ভ্রাতাদের মধ্যে সদ্ভাব =সৌভ্রাত্র
১৯৩.মৃত্যু কামনায় উপবাস=প্রায়োপবেশন
১৯৪.যে আতপ থেকে ত্রাণ করে=আতপত্র
১৯৫.যে সুপথ থেকে ভিন্ন পথে গেছে=উন্মার্গগামী
১৯৬.যে উপরে উঠেছে =আরূঢ়
১৯৭.যে পার হতে ইচ্ছুক=তিতীর্যু
১৯৮.যে অট্টালিকা দেখতে সুন্দর=হর্ম্য
১৯৯.যে নদীর জল পূণ্যদায়ক=পূণ্যতোয়া
২০০.যে অস্ত্র একশত জনকে বধ করতে পারে=শতঘ্নী
২০১.যে বহু বুলি বলে=হরবোলা
২০২.যা বিচারের দ্বারা ঠিক করা যায় না=অপ্রতর্ক্য
২০৩.যা মিলিয়ে যাচ্ছে=অপমৃয়মান
২০৪.যা পূর্বে কথিত বা উল্লিখিত =প্রাগুক্ত
২০৫.যা শল্য ব্যথা দূর করে=বিশল্যকরণী
২০৬.যার উদর বক্রগতি সম্পন্ন=কাকোদর
২০৭.শুনতে ইচ্ছুক=শুশ্রুষু
২০৮.হস্তীর চিৎকার =বৃংচিত
২০৯.রঘুর পুত্র=রাঘব
২১০.পদ্মের ডাঁটা=মৃণাল
২১১.হাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান =হাওদা
২১২.যা সহজে অপনীত হবার নয়=দুরপনেয়
২১৩.সন্তানের মত যত্নে=অপত্যনির্বিশেষে
২১৪.যে রমণীর হাসি পবিত্র=শুচিস্মিতা
২১৫.যে রমণীর হাসি সুন্দর=সুহাসিনী

*এক কথায় প্রকাশ যা, প্রদত্ত নোটটি তা। মানে, এ নোটের বাহিরে এক কথায় প্রকাশ প্রায় খুঁজেই পাবেন না। কয়েকটা বই থেকে নোট করায়–তাই একই প্রশ্ন পুনরাবৃত্তি হওয়ার জন্য দুঃখিত। আলো আসবে, আলো আনতেই হবে।

***এই ধরনের আরও টিপস-ট্রিকস, অফার এবং শিক্ষামূলক পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন***

রাজহাঁসের ডাক=ক্রেঙ্কার
অশ্বের ডাক=হ্রেষা
গম্ভীর ধ্বনি=মন্দ্র
ময়ূরের ডাক =কেকা
সিংহের নাদ =হুঙ্কার
সেতারের ঝংকার =কিঙ্কিনি
বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি =ঝংকার
ধনুকের ধ্বনি =টংকার
.
ক্ষমা করার ইচ্ছা=চিক্ষমিষা
ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা=তিতীর্ষা
গমন করার ইচ্ছা=জিগমিষা
নিন্দা করার ইচ্ছা=জুগুপ্সা
বেঁচে থাকার ইচ্ছা=জিজীবিষা
পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা
হনন করার ইচ্ছা =জিঘাংসা
অনুসন্ধান করার ইচ্ছা =অনুসন্ধিৎসা
অনুকরণ করার ইচ্ছা =অনুচির্কীষা
অপকার করার ইচ্ছা =অপচির্কীষা
উপকার করার ইচ্ছা =উপচির্কীষা
প্রতিকার করার ইচ্ছা =প্রতিচিকীষা
করার ইচ্ছা =চির্কীষা
বাস করার ইচ্ছা =বিবৎসা
.
গম্ভীর ধ্বনি=মন্দ্র
মুক্তি পেতে ইচ্ছা=মুমুক্ষা
বিজয় লাভের ইচ্ছা=বিজিগীষা
প্রবেশ করার ইচ্ছা=বিবক্ষা
বাস করার ইচ্ছা=বিবৎসা
বমন করিবার ইচ্ছা=বিবমিষা
রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা=রিরংসা
আমার তুল্য=সাদৃশ
ইহার তুল্য=ইদৃশ
জয় করার ইচ্ছা =জিগীষা
দেখবার ইচ্ছা =দিদৃক্ষা
.
দেবতার তুল্য=দেবোপম
রন্ধনের যোগ্য=পাচ্য
জানিবার যোগ্য=জ্ঞাতব্য
প্রশংসার যোগ্য=প্রশংসার্হ
ঘ্রাণের যোগ্য=ঘ্রেয়
যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না=দুলঙ্ঘ্য
যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না=দুস্তর
যা বলা হয়েছে=বক্ষ্যমাণ
যা পূর্বে চিন্তা করা যায়নি=অচিন্তিতপূর্ব
যা পূর্বে শোনা যায় নি=অশ্রুতপূর্ব
যা বলা হবে =বক্তব্য
যা বলা হচ্ছে =বক্ষ্যমাণ
যা কথায় বর্ণনা করা যায় না =অবর্ণনীয়
যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না =অনির্বচনীয়
.
বাতাসে চরে যে=কপোত
পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার=জাতিস্বর
সরোবরে জন্মায় যাহা=সরোজ
.
যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে =জাজ্বল্যমান
সকলের জন্য প্রযোজ্য=সর্বজনীন
সকলের জন্য অনুষ্ঠিত =সার্বজনীন
প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন=প্রভাতকল্পা
রাত্রির মধ্যভাগ=মহানিশা
স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=শাস্ত্রজ্ঞ
স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন
যিনি=শাস্ত্রকার
যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন=স্মার্ত
শক্তির উপাসনা করে যে = শাক্ত
এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার=অজাতশত্রু
এখনও গোঁফ-দাড়ি গজায় নাই
যাহার=অজাতশ্মশ্রু
যে ব্যক্তি এক ঘর হতে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায়=মাধুকর
অন্যদিকে মন নাই যার=অনন্যমনা
খেয়া পার করে যে =পাটনী
নিজেকে বড় ভাবে যে=হামবড়া
নিজেকে যে নিজেই সৃষ্টি করেছে=সয়ম্ভূ
নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে
(গ্রীষ্মকাল)=নিদাঘ
যা গতিশীল = জঙ্গম
যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই=অবিসংবাদী
স্ত্রীর বশীভূত =স্ত্রৈণ
অঙ্গীকৃত মাল তৈরির জন্য প্রদত্ত
অগ্রিম অর্থ=দাদন
অতি উচ্চ ধ্বনি =মহানাদ
অতিশয় রমণীয়=সুরম্য
.
অগ্র-পশ্চাৎ ক্রম অনুযায়ী =আনুপূর্বিক
অবজ্ঞায় নাক উঁচু করে যে=উন্নাসিক
অসির শব্দ=ঝঞ্জনা
অন্ধকার রাত্রি =তামসী
অশ্বের চালক=সাদী
.
ঈষৎ উষ্ণ =কবোষ্ণ
ঈষৎ পাংশু বর্ণ=কয়রা
আকস্মিক দুর্দৈব =উপদ্রব
.
আজীবন সধবা যে নারী=চিরায়ুষ্মতী
উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ধন=রিকথ
উটের/হস্তীর শাবক=করভ
ঋষির দ্বারা উক্ত(কথিত) =আর্য
ঋজুর ভাব=আর্জব
ঋতুর সম্বন্ধে=আর্তব
ঔষধের আনুষঙ্গিক সেব্য=অনুপান
কালো হলুদের মিশানো রঙ=কপিশ,কপিল
ক্ষুধার অল্পতা=অগ্নিমান্দ্য
.
কৃষ্ণবর্ণ হরিণ=কালসার
কাচের তৈরি ঘর=শিশমহল
কোন বিষয়ে যে শ্রদ্ধা হারিয়েছে=
বীতশ্রদ্ধ
কপালে আঁকা তিলক=রসকলি
কচি তৃণাবৃত ভূমি=শাদ্বল
গৃহের প্রধান প্রবেশ পথ=দেহলি,দেউড়ি
গরম জল=উষ্ণোদক
গর্দভের বাসস্থান =খরশাল
গুরুগৃহে বাস=অন্তেবাসী
.
৯৮.গুরুর পত্নী =গুর্বী
গাধার ডাক=রাসভ
ঘর্ষণ বা পেষণজাত গন্ধ=পরিমল
চোখের কোণ=অপাঙ্গ
জানায় যে=জ্ঞাপক
ছিন্ন বস্ত্র=চীর
জজের বৃত্তি=জজিয়াতী
জলবহুল স্থান =অনুপ,জলা
জানা উচিত =জ্ঞেয়
ত্বরার সঙ্গে বর্তমান=সত্বর
ত্বরায় গমন করে যে=তুরগ
তৃণাদির গুচ্ছ=স্তন্ব
তরল অথচ গাঢ়=সান্দ্র
তোপের ধ্বনি=গুড়ুম
তোমার মত=ত্বাদৃশ
তার মত=তাদৃশ
থেমে থেমে চলার যে ভঙ্গি=ঠমক
.
দেবতা থেকে উৎপন্ন বা
দৈবজাত=আধিদৈবিক
দুরথীর যুদ্ধ =দ্বৈরথ
দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থান =দোয়াব
দৈনন্দিন জীবনের লিখিত বিবরণ
=রোজনামচা
দুগ্ধবতী গাভী=পয়স্বিনী
.
নিবেদন করা হয় যা=নৈবদ্য
নির্ভুল মুনিবাক্য=আপ্তবাক্য
নিকৃষ্ট ব্যক্তি =অজন
নিচে জল আছে যার=অন্তঃসলিলা
প্রস্থান করতে উদ্যত =চলিষ্ণু
প্রদীপ শীর্ষের কালি=অঞ্জন
পেতে ইচ্ছা=ঈপ্সা
প্রতিবিধান করার ইচ্ছা=প্রতিবিধিৎসা
পাখির ডানা ঝাপটা =পাখসাট
পায়ে হেঁটে যে গমন করে না=পন্নগ
পায়ে হাঁটা =পদব্রজ
ফিকা কমলা রঙ=বাসন্তী
পূর্ণিমার চাঁদ =রাকা
প্রভাতের নবোদিত
সূর্য=বালার্ক
বসন আলগা যার=অসংবৃত
বীজ বপনের উপযুক্ত সময়=জো
বেলা ভূমিকে অতিক্রম =উদ্বেল
বিশেষ ভাবে দর্শন =বীক্ষণ
মেঘের ধ্বনি=জীমূতমন্ত্র
মাথায় টাক=খলতি
যার কিছু নেই=আকিঞ্চন
.
যার দিক থেকে চক্ষু ফেরানো যায়
না=অসেচনক
বলা হতে যাচ্ছে বা হবে=বক্ষ্যমাণ
যাহা উচ্চারণ করিতে কষ্ট হয়=দুরুচ্চার্য
যে স্ত্রীর বশীভূত =স্ত্রৈণ
যা শুনলে দুঃখ দূর হয়=দুঃশ্রব
যা গমন করে না=নগ
যার স্পৃহা দূর হয়েছে=বীতস্পৃহ
লয় প্রাপ্ত হয়েছে=লীন
শত্রুকে পীড়া দেয় যে=পরন্তপ
শক্তির উপাসনা করে যে=শাক্ত
সুদে টাকা খাটানো=তেজারতি
হস্তী রাখার স্থান =বারী,পিলখানা
হস্তীর চারণভূমি=প্রচার
হত্যা করে যে=হন্তারক
অব্যক্ত মধুর ধ্বনি=কলতান
যার বাসস্থান নেই=অনিকেতন
কর্মে অতিশয় তৎপর =করিৎকর্মা
জয়লাভ করতে অভ্যস্ত যে=জিষ্ণু
জয় করার যোগ্য=জেতব্য
তম দূর করে যে=তমোনাশ
দান করে যে কেড়ে নেয়=দত্তাপহারী
দান করার ইচ্ছা=দিৎসা
ন্যায় শাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=নৈয়ায়িক
যে সুপথ থেকে ভিন্ন পথে
গেছে=উন্মার্গগামী
যে পার হতে ইচ্ছুক=তিতীর্যু
যে অট্টালিকা দেখতে সুন্দর=হর্ম্য
যে নদীর জল পূণ্যদায়ক=পূণ্যতোয়া
.
যা বিচারের দ্বারা ঠিক করা যায় না=অপ্রতর্ক্য
যা মিলিয়ে যাচ্ছে=অপমৃয়মান
শুনতে ইচ্ছুক=শুশ্রুষু
রঘুর পুত্র=রাঘব
হাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান=হাওদা
যা সহজে অপনীত হবার নয়=দুরপনেয়
সন্তানের মত যত্নে=অপত্যনির্বিশেষে
যে রমণীর হাসি পবিত্র=শুচিস্মিতা
.
যা কষ্টে নিবারণ করা যায় =দুর্নিবার
প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন =প্রভাতকল্পা
রাত্রির প্রথম ভাগ =পূর্বরাত্র
রাত্রির মধ্যভাগ =মহানিশা
রাত্রির তিন ভাগ একত্রে =ত্রিযামা
রাত্রিকালীন যুদ্ধ =সৌপ্তিক
পরের অন্নে যে জীবন ধারণ করে =পরান্নজীবী
পরকে প্রতিপালন করে যে =পরভৃৎ
শোনা যায় এমন =শ্রুতিগ্রাহ্য
.
যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত =বীরা,পুরন্ধ্রী
যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে =নবোঢ়া
যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয় না=অনন্য
যে নারীর সতীন/শত্রু নেই =নিঃসপ্ত
সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে =সততসঞ্চরমান
যা বার বার দুলছে =দোদুল্যমান
পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে যা =দেদীপ্যমান
যা বপন করা হয়েছে =উপ্ত
.
যার আগমনের কোনো তিথি নেই =অতিথি
সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন=অসমীক্ষিত
.
কামনা দূর হয়েছে যার =বিতস্কাম
পিতার ভ্রাতা =পিতৃব্য
যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয় =সংবর্ত
অন্ন গ্রহণ করিয়া যে প্রাণধারণ করে=অন্নগতপ্রাণ
মোটাও না,রোগাও না =দোহারা
ঈষৎ কম্পিত =আধত
.
ঈষৎ পাংশুবর্ণ =কয়রা
কষ্টে অতিক্রম করা যায় না যা =দুরতিক্রম্য
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না =দুরতিক্রম্য
যা কষ্টে নিবারণ করা যায় =দুর্নিবার
অক্ষির সমীপে =সমক্ষ
বেঁচে থাকার ইচ্ছা =জিজীবিষা
যা ক্ষমার অযোগ্য =ক্ষমার্য
রচয়িতার মূল গ্রন্হ হতে যারা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি লিপিবদ্ধ করেন =লিপিকার
গোপন করার ইচ্ছা =জুগুপ্সা
.
যা কষ্টে জয় করা যায় =দুর্জয়
যাহা কষ্টে অর্জন করা যায় =কষ্টার্জিত
যা কষ্টে লাভ করা যায় =দুর্লভ
যা দমন করা কষ্টকর =দুর্দমনীয়
যা সহ্য করা যায় না =দুর্বিষহ
যা সহজে মরে না =দুর্মর
যা সহজে দমন করা যায় না =দুর্দম
যা জয় করা যায় না =অজয়
যা অতিক্রম করা যায় না =অনতিক্রম্য
যাহাতে গমন করা যায় না =অগম্য
যা দমন করা যায় না =অদম্য
যা নিবারন করা যায় না =অনিবারিত
.
জন্মে নাই যা =অজ
যাহাতে সহজে গমন করা যায় না =দুর্গম
কোনো ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না=অনিবার্য।

আপনার ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করে মতামত প্রদান করতে পারেনঃ

You must be logged in to post a comment Login

নতুন পোস্ট’সমূহ

To Top