জেনে নিন

অল্প দিনেই ফর্সা হয়ে উঠতে চান? তাহলে মেনে চলুন এই ৭ টি টিপস

ফর্সা হতে কে না চায়। তাই তো হাজার হাজার টাকা খরচ করতেও অনেকে পিছপা হন না। আবার কেউ কেউ সকাল-বিকাল ফেস হোয়াইটিং ক্রিম লাগিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছাতে চান। এই সব ক্রিম লাগালে কি আদৌ কাজ হয়? উত্তর হল, একেবারেই না। কারণ বাজার চলতি এই সব বিউটি প্রোডাক্টগুলিতে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে কেমিকাল থাকে, যা ত্বকের রং তো বদলাতে পারেই না, উলটে স্কিনের মারাত্মক ক্ষতি করে দেয়। প্রসঙ্গত, ত্বকের রং অনেকাংশেই নির্ভর করে জিনের উপরে। আপনার পরিবারে যদি সবাই খুব ফর্সা হন, তবে আপনার স্কিনের কালারও উজ্জ্বল হবে।

সেই সঙ্গে আরও কিছু বিষয় আছে, যার উপর নির্ভর করে আপনার ত্বকের চিরত্র। তাই তো চিকিৎসকেরা ফর্সা হওয়ার ক্রিম ব্যবহার করে ত্বকের রং ফেরনোর বিপক্ষে সব সময় মতামত দিয়ে এসেছেন। এই সব ক্রিমগুলি ত্বকের কোনও উপকারে লাগে না। বরং নানা ভাবে ত্বকের ক্ষতি করে থাকে। সেই কারণেই তো প্রকৃতিক উপাদান ব্য়বহার করে ফর্সা হওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, এই প্রবন্ধে আলোচিত পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করলে হলফ করে বলতে পারি অল্প দিনেই আপনার ত্বক উজ্জ্বল হতে শুরু করবে।

তাহলে অপেক্ষা কিসের। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফর্সা হওয়ার এইসব সহজ, থুরি কার্যকরি পদ্ধতিগুলি সম্পর্কে।

দুধ, লেবুর রস এবং মধু:
ত্বককে উজ্জ্বল করেতে এই সবকটি উপাদানই দারুন কাজে আসে। ১ চামচ করে সবকটি উপকরণ মিশিয়ে নিন প্রথমে। তারপর সারা মুখে এই পেস্টটা লাগিয়ে ফেলুন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন এই পেস্টটি ব্যবহার করলে অল্প দিনেই ত্বকের রং উজ্জ্বল হতে শুরু করবে।

***এই ধরনের আরও টিপস-ট্রিকস, অফার এবং শিক্ষামূলক পোস্ট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন***

ওটস এবং দই:
ত্বককে ফর্সা বানাতে এই মিশ্রনটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এটি ত্বকের বলিরেখা দূর করার পাশাপাশি পিগমেন্টটেশন কমায়। ফলে স্কিন উজ্জ্বল হতে শুরু করে। পরিমাণ মতো ওটস নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ওটসগুলি বেটে নিয়ে দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে বানিয়ে ফেলুন একটা পেস্ট। প্রতিদিন এই পেস্টটি মুখে লাগালে দারুন ফল পাবেন।

You must be logged in to post a comment Login

নতুন পোস্ট’সমূহ

To Top